এন্ড্রোয়েড রুট এবং আনরুট করুন মাত্র একক্লিকে

বিসমিল্লাহীর রহমানির রাহীম

বর্তমানে গুগলের এন্ড্রোয়েড ফোন গুলো খুবই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে Play Store. প্লে ষ্টোর এ এনড্রয়েড ইউজারদের জন্য অসংখ্য এপস বা গেমস রয়েছে যা আর অন্য কোন মোবাইল ফোন অপারেটিং সিস্টেমের নাই। এছাড়াও আরোও অনেক রকমের সুযোগ সুবিধাদি থাকার ফলে গুগল প্রডাক্ট এনড্রয়েডই এখন মোবাইল ফোন বাজার দখল করে আছে। যাক এসব আমার প্রসঙ্গ না।

এখনও যারা রুটেড এন্ডয়েডের স্বাদ পাননি তারা এদিকে আসুন>>

আসল কথায় আসি>>> আমার কথা ছিল এনড্রয়েডকে রুটেড এবং আনরুটেড করা বিষয়ক। অনেকেই রুট সম্পর্কে জানেন কিন্তু তারপরও যারা এখনও রুট সম্পর্কে জানেন না; তাদের জন্যই আমার এই পোষ্ট উৎসর্গ করলাম।

আপনি যখন বাজার থেকে একটি নতুন এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম ফোন আনেন তখন এই ফোনের সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব আপনাকে দেয়া হয় না। ফোনের কিছু স্পর্শকাতর বিষয় লক বা আনরুট করে রাখা হয়। এটা অবশ্য আপনার ভালোর জন্যই। কারণ ঐসকল স্পর্শকাতর অংশ যদি সকলের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায় তাহলে আপনার ফোনটি অকালেই প্রাণ বায়ু হারাতে পারে বা আপনার ব্যক্তিগত কোন তথ্য নষ্ট বা ফাঁস হওয়ার আশংকা থাকতে পারে। এজন্যই গুগল প্রত্যেকটি এন্ড্রোয়েড ফোনকে আনরুট করে দেয়।

এন্ড্রোয়েড রুট করার উপকারিতাঃ

তবে এখন কথা হল সব ব্যবহারকারী কিন্তু একই মনমানসিকতার হয় না। কেউ কেউ চায় রুট করেই চলতে। তবে এর পক্ষে বিশেষ কিছু কারণও আছে। এই যেমন ধরেন, প্লে ষ্টোরে এমন কিছু এপস্ আছে যার মাধ্যমে আপনি অনেক কঠিন সাধ্য কাজ সহজেই করতে পারেন। কিন্তু ঐ এপস্ টি ডাউনলোড করতে হলে আপনাকে অবশ্যই রুটেড এন্ড্রোয়েড ফোন ব্যবহার করতে হবে। রুটেড এন্ড্রোয়েড ছাড়া ঐ প্রয়োজনীয এপস্ টি ইনিষ্টল হবে না। তাছাড়া রুট করলে বেশীরভাগ সময় ফোনের স্পীডও অনেক বেড়ে যায়। যার ফলে যাদের ফোন খুবই স্লো তাদের জন্য ফোনটি ব্যবহার করতে সুবিধা হয়। সময়ের অভাবে খুব সংক্ষিপ্তভাবে বললাম তবে এছাড়াও আরোও অনেক রকমের উপকারিতা পাবেন রুটেড এন্ড্রোয়েড ইউজ করলে।

এন্ড্রোয়েড রুট করার অপকারিতাঃ

প্রত্যেটি জিনিষের যেমন কিছু ভালো দিক থাকে, তেমনি কিছু খারাপ দিকও থাকে। তেমনি রুটেড এন্ড্রোয়েডেরও কিছু খারাপ দিক আছে যেমন, প্রথম কথা হচ্ছে— “খুবই সাবধান রুট করার পর কিন্তু আপনার ওয়ারেন্টি থাকবে না।” তবে সুখবর হলো আপনি আপনাকে এমন পদ্ধতি শিখাবো যার মাধ্যমে আপনি আবার আপনার ফোনকে পূর্বের অবস্থায় আনরুট করে নিতে পারবেন সহজেই। তবে আরেকটি সমস্যা হচ্ছে নিম্মমানের কনফিগারেশনের ফোন গুলো সাধারণত রুট করার পর তেমন ভালো পারফরম্যান্স দেয় না। তবে অনেক ক্ষেত্রে আবার পূর্বের চেয়ে ভালো পারফরম্যান্স দিয়ে থাকে। তাই ট্রাই করে দেখতে পারেন। এছাড়াও অনেক সময় অনেক ফোন আজীবনের জন্যও ডেড হয়ে যায়। আবার রুট থাকার সময় যদি ভাইরাসে আক্রোমণ করে তাহলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য নষ্ট অথবা ফাঁস হয়ে যেতে পারে। তাই সম্পূর্ণ নিজ দায়িত্বে সবকিছু ঠিকঠাক বুঝেই রুট করে নিবেন। সংক্ষিপ্ত ভাবে বললাম।

কম্পিউটার ছাড়াই মাত্র এক ক্লিকে এন্ড্রয়েডকে রুট এবং আনরুট করুন আপনার এন্ড্রোয়েড ফোন

আমি আপনাকে এমন একটি এপস্ দিচ্ছি যার মাধ্যমে আপনি আপনার এন্ড্রোয়েড ফোনকে মাত্র একক্লিকে রুট করে নিতে পারবেন! যদি রুট করার পর ভালো না লাগে বা সমস্যা হয় তাহলে আনরুটও করে নিতে পারবেন মাত্র একক্লিকেই!

এন্ড্রোয়েডকে রুট/আনরুট করার এপস্/সফটওয়্যার ডাউনলোড করুন Kingroot.apk

kingroot সফটওয়্যারটি এন্ড্রোয়েডকে রুট অথবা আনরুট করার জন্য অসাধারণ একটি সফটওয়ার।  এখানে ক্লিক করে kingroot.apk ডাউনলোড করে নিন।

Kingroot.apk দিয়ে যেভাবে রুট/আনরুট করবেন

প্রথমে, kingroot.apk এপস্ টি ইনিষ্টল করুন। এরপর এটি ওপেন করুন এবং root এ ক্লিক করুন। ব্যাস কাজ শেষ।

নিচের ছবি গুলো দেখুন…..

kingroot এন্ড্রোয়েড রুট

kingroot এন্ড্রোয়েড রুট /আনরুট

kingroot এন্ড্রোয়েড রুট

যদি unroot করতে হয়। তাহলে প্রথমে সফটওয়্যারটি ওপেন করুন এবং Unroot এ ক্লিক করুন। ব্যাস আগের মতই আনরুট হয়ে যাবে ইনশআল্লাহ।

ওকে, আল্লাহ হাফেজ।

বাইজিদ আহমেদ সিয়াম

আমার ব্লগিং জীবন তেমন সুদীর্ঘ নয়। টেকটোন্সবিডিতেই ব্লগিং জীবনের প্রাথমিক পদাচারণ। তাই ভালোলাগে টেকটোন্সবিডিকে। তবে নামাজ পড়া আমার প্রধান শথ। আপনার?

More Posts - Website

Follow Me:
Facebook

Leave a Reply