কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের স্বাস্থ্য সেবায় অসাধারণ কতগুলো টিপস্‌… না পড়লে ১০০% মিস!!

By | সেপ্টেম্বর 23, 2013

বিসমিল্লাহীর রহমানির রাহীম

আমার জীবনের প্রথম পোষ্ট শেয়ার করতে যাচ্ছি। তাই আপনাদের কমেন্ট আশা করছি। আপনাদের ভালো কমেন্ট আমাকে ভবিষ্যতে ভালো ব্লগিং করতে উদ্দীপনা দিবে।

রেডিয়েশন প্লান্টের ওপর বসবাস। কথাটি একটু অদ্ভুত শোনালেও অনেকদিন ঘরে যারা পিসি ব্যবহার করে আসছেন তাদের জন্য কিছুটা হলেও সত্য। বাসার হাই ভোল্টেজ ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি থেকে যে লো ফ্রিকোয়েন্সি তৈরি হয় তা দ্বারা আমরা কমবেশি সবাই আক্রান্ত। কিন্তু কম্পিউটার লোক কিংবা হাই দুই ধরনের রেডিয়েশনই তৈরি করতে পারে। একজন লাইফটাইম কম্পিউটার ব্যবহারকারী সারা জীবনে আনুমানিক ৬০,০০০ ঘন্টা কম্পিউটারের সামনে বসে কাটায় দীর্ঘ সময় ধরে ইউজার যদি রেডিয়েশনের শিকার হয় তবে তা নিঃসন্দেহে একটি বড় সমস্যা। যদিও কম্পিউটার প্রস্তুতকারীদের জন্য সুস্পষ্ট আইন রয়েছে যে রেডিয়েশন কেসিংয়ের ভেতরেই থাকবে এবং তা কোনমতে ইউজারকে স্পর্শ করতে পারবে না। কিন্তু কেসিং যদি ঠিকমতো লাগানো না হয়, বারবার খোলা এবং বন্ধ করা কিংবা কেসিংয়ে ফাটল থাকলে ইউজার রেডিয়েশনের শিকার হতে পারে।

 

যা ঘটতে পারে :

এক গবেষনায় প্রকাশ যে, এই রেডিয়েশন প্রসূতি মায়েদের গর্ভপাতের কারণ হতে পারে এবং গর্ভস্থ সন্তানের ক্ষতি হতে পারে। আরেক সূত্রমতে, রেডিয়েশনের সঙ্গে লিউকেমিয়া এবং ক্যান্সারের সম্পর্ক রয়েছে। তবে নিয়েও পরস্পর বিরোধী মতভেদ রয়েছে। জার্মানির জাতীয় অ্যান্টি রেডিয়েশন এর বিভাগীয় প্রধানের মতে, নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ইলেকট্রম্যাগনেটিক রেডিয়েশন ¯^v‡¯’¨i জন্য মোটেও হানিকর নয়।

 

রেডিয়েশন থেকে বাঁচার উপায়

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় রেডিয়েশন প্রতিরোধ কাউন্সিলের ১১ জন বিশেষজ্ঞ দীর্ঘ নয় বছরের গবেষণায় রেডিয়েশন থেকে বাঁচার কিছু উপায় খুঁজে পেয়েছেন। তাদের গবেষণা মতে, এই রেডিয়েশন দীর্ঘদিন চলতে থাকলে মস্তিষ্ক আক্রান্ত হতে পারে, হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত কে শুরু করে দেহের বিভিন্ন কোষে সংক্রামিত হয়ে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। এই ক্ষতিকর রেডিয়েশন থেকে বাঁচতে পিসি, মাউস, কী বোর্ড ইত্যাদি দেহ থেকে যত দূরে রাখা যায় ততই ভাল, রেডিয়েশন তৈরিতে মনিটর অনেকাংশে দায়ী। তাই নিরাপদ দূরত্ব হিসেবে মনিটরকে কমপক্ষে ৪৮ ইঞ্চি দূরে রাখুন।

আপনার ডিভাইসকে সবসময় পাওয়ার সেভ মুডে রাখুন। এজন্য মনিটরের সেটিংয়ে ব্ল্যাংক স্ক্রীনসেভার অপশন ৫ থেকে ১০ মিনিট এবং এনার্জি সেভ মোড ৩০ মিনিট সেট করে রাখুন। সারারাত যারা ইন্টারনেট ব্রাউজ করেন তারা নিশ্চয়ই জানেন, পরদিন চোখ জ্বালা, পানি পড়া থেকে শুরু করে আরো অনেক উপসর্গ দেখা দেয়, কারণ একটিই মনিটর। প্রায় ৮ ঘন্টা কমপিউটারের সামনে কাজ করলে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩০,০০০ গুণ কম চোখের পাতা নড়ে। ঘোলাটে মনিটর এক্ষেত্রে আরো বিপজ্জনক। এতে ড্রাই আই সিন্ড্রোম দেখা যেতে পারে। মাত্রারিক্ত ব্যবহারে কর্নিয়া শুকিয়ে দৃষ্টি শক্তির বারোটা বাজাতে পারে। কেবল চোখই নয়, একটানা কাজ করলে মাথাব্যথা, অস্থিরভাব ইত্যাদি লক্ষণও দেখা যেতে পারে।

 

চোখের উপর অতিরিক্ত চাপ

একটি ব্যাপার মনে রাখা উচিত, কাগজে ছাপা লেখা পড়া আর কম্পিউটার থেকে টেক্সট পড়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। কাগজ থেকে আলো প্রতিফলিত হয় আর কম্পিউটারকে বলা যেতে পারে একটি লাইট সোর্স। তাই একটানা এই লাইটের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক| যারা বেশি গেমস খেলেন তাদের চোখের অনেক ক্ষতি হতে পারে।

 

প্রতিরোধ : প্রথমত ৭০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের চেয়ে কম রিফ্রেশ রেটের মনিটর অবশ্যই কিনবেন না। চোখের সুবিধামতো দূরত্বে মনিটরটি রাখুন।

স্ক্রীন বরাবর সোজাসুজি তাকানো এবং এরচেয়ে ১০ ডিগ্রি নিচে হলো নরমাল ভিশন লাইন। এ অনুসারে মনিটর ও ফার্নিচার সের্টি করুন। বাজারে মনিটরের জন্য খুব কম দামে আই প্রটেকশন শিল্ড বা গ্লাস ফিল্টার পাওয়া যায়। এটি তীব্র আলো থেকে চোখকে অনেকাংশে রক্ষা করে।

টাইপ করার সময় কালো ফন্ট এবং অপেক্ষাকৃত ধূসর ব্যাকগ্রাউন্ড চোখের জন্য ভাল। কিছুক্ষণ পরপর চোখকে বিশ্রাম দিন কিংবা চোখের ব্যায়াম করতে পারেন। কিছুক্ষণ পরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে চোখ ঝাপটা দিন, কম্পিউটারে গেমস খেলা থেকে বিরত থাকুন।

                                               ====সংকলিত===

বাইজিদ আহমেদ সিয়াম

আমার ব্লগিং জীবন তেমন সুদীর্ঘ নয়। টেকটোন্সবিডিতেই ব্লগিং জীবনের প্রাথমিক পদাচারণ। তাই ভালোলাগে টেকটোন্সবিডিকে। তবে নামাজ পড়া আমার প্রধান শথ। আপনার?

More Posts - Website

Follow Me:
Facebook

2 thoughts on “কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের স্বাস্থ্য সেবায় অসাধারণ কতগুলো টিপস্‌… না পড়লে ১০০% মিস!!

Leave a Reply