কিভাবে একটি ই-কমার্স সাইট বানাবেন

By | নভেম্বর 29, 2016

বাংলাদেশে ই কমার্স এর পালে হাওয়া লেগেছে। নতুন ও তরুণ উদ্যোক্তাদের বিরাট একটা অংশ ফেসবুকে একাউন্ট খুলে পোস্ট বুস্ট করতে ব্যস্ত। কিছু মানুষ চিন্তায় একেবারে জীবন শেষ। কি ডোমেইন নেবেন, কোথা থেকে নেবেন, ডোমেইন এর নাম কি হবে, হোস্টিং কোথা থেকে নেবেন, হোস্টিং কত নেবেন, ব্যান্ডউইথ কত হবে, কার কাছে থেকে ওয়েবসাইট বানাবেন, কত লাগবে, কোন প্লাটফরম ব্যবহার করবেন, ইত্যাদি। অনেকে প্রথমে না বুঝে শুরু করছেন এখন আবার সব পরিবর্তন করে নতুন করে করার ধান্দায় আছেন। যারা ইতোমধ্যে এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন এর সাথে কোনোভাবে জড়াতে পেরেছেন তারা সঠিক পরামর্শ পাচ্ছেন। যারা ওয়েবসাইট বানাবার কথা ভাবছেন তাদের জন্য এই লেখা।

প্রকৃতপক্ষে ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই কমার্স বলতে আমরা বুঝি ইলেকট্রনিক্স মাধ্যম ব্যবহার করে ব্যবসা করা তথা কেনাকাটা করে। বতর্মানে পন্যভিত্তিক ই কমার্স এর আরেক নাম অনলাইন শপ। ই কমার্স এর প্রাথমিক সূচনা হয় ইলেকট্রনিক ডেটা ইন্টারচেঞ্জ (ইডিআই) এবং ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) এর মাধ্যমে। এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাণিজ্যিকভাবে আর্থিক লেনদেনের অনলাইন সার্ভিস শুরু হয় ১৯৭০ সালের দিকে। তার কিছুকাল পরেও এগুলোর ব্যবহার ছিলো খুবই সীমিত। এতে ক্রয় অর্ডার কিংবা চালানের মতো বাণিজ্যিক ডকুমেন্টগুলো ইলেকট্রনিক উপায়ে প্রেরন করার পথ তৈরী হয়।

ই-কমার্সের আরো একধাপ উন্নতি হয় এয়ারলাইন রিজার্ভাশন সিস্টেম চালু করে অনলাইনে টিকেট বুকিং দেয়া শুরু হওয়ার পর।

ই-কমার্স প্রক্রিয়া

অনলাইনে ই-কমার্স ওয়েব সাইট থাকে যাতে বিক্রেতা পন্য ও সেবার পসরা সাজান। এসব সাইটে পন্য বা সেবার দাম, মান, সাইজসহ অন্যান্য বিবরণ থাকে। ক্রেতা ওয়েবসাইটে পন্যের ছবি ও বিবরণ দেথে পন্য পছন্দ করেন। অর্ডার গ্রহন করার জন্য সাইটে শপিং কার্টের বা প্রোডাক্ট ড্রপের ব্যবস্থা থাকে আরও থাকে বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট সুবিধা। ক্রেতা যদি ক্রেডিট কার্ড দিয়ে পন্য ক্রয় করতে চান কার্ডের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সরবরাহ করে উক্ত পরিমান অর্থ প্রদান করতে হয়।  অর্থপ্রাপ্তি নিশ্চিত হওয়ার পর ওয়েব সাইটে লেনেদেন সংক্রান্ত তথ্য ই-মেইল আকারে ক্রেতা, বিক্রেতাকে পাঠানো হয়। প্রক্রিয়াটি সঠিক হলে বিক্রেতা ক্রেতাকে উক্ত পণ্য সরবরাহ করেন।

কেমন হবে আপনার ই কমার্স সাইট:

ই কমার্স এর আপনার ওয়েবসাইটটি হবে সাধারণ ও দৃষ্টিনন্দন। যদি অনেক ধরনের পন্য থাকে তবুও এমনভাবে সাইট তৈরী করুন যাতে খুব এলোমেলো মনে না হয়। কালার ও ডিজাইনের প্রতি খেয়াল রাখুন। ছবি পোস্ট করার সময় এর সাইজ পিক্সল দেখে আপলোড করুন। খুব বেশি বড় ছবি দিয়ে জায়গা মারা বা গতি কমানোর দরকার নেই। আবার লো ছবি দিয়ে অস্পষ্টতা তৈরী করার কোন মানে হয়না। ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য সহজ টেম্পলেট ও ভালো ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করুন। সস্তায় পাওয়া যায় এমন কোন টেমপ্লেট বা প্লাগিন্স ব্যবহার করবেন না, যাতে আপনার পুরো ওয়েবসাইটাই পরে চেঞ্জ আপনার ই কমার্স সাইটের প্রধান বৈশিষ্ট্যের মধ্যে থাকবে মোবাইল ফ্রেন্ডলি ইউজার ইন্টারফেস, আনলিমিটেড পণ্য কেনার সুবিধা, নিরাপদ পেমেন্ট ও কাস্টমারের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য।

কোথা থেকে তৈরি করবেন আপনার ই কমার্স সাইট

বাংলাদেশে ওয়েব সাইট ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট অনেক কোম্পানী আছে। কিন্তু ভাল মানের পাবেন মাত্র হাতে গুনা কয়েকটি। গাজীপুরে প্রতিষ্ঠিত এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন সেরা ওয়েবসাইট ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানী। যারা ইতোমধ্যে অনেকগুলো ই কমার্স সাইট তৈরী করেছে। আপনি তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন এর ই কমার্স ওয়েবসাইটে প্রদত্ত ফিচারসমূহ

  • আনলিমিটেড পেজ
  • ইউনিক ডিজাইন
  • আনলিমিটেড পণ্য যোগ
  • আনলিমিটেড ইমেজ আপলোড
  • আনলিমিটেড ক্যাটাগরি যোগ
  • ক্যাটাগরি ভিত্তিক পণ্য সার্চ
  • সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ডিজাইন
  • দ্রুত ব্রাউজিং সক্ষমতা
  • ডিজাইন স্যাম্পল-১০টি
  • আনলিমিটেড ইমেইল এড্রেস
  • গ্রাহকের লগিন বা রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া
  • অনলাইন অর্ডার সিস্টেম
  • যে কোন সময় যে কোন পণ্য যোগ/কর্তন
  • স্যোসাল মিডিয়ায় শেয়ার

এ এম ওয়েব ক্রিয়েশন ই কমার্স ওয়েবসাইটে প্রদত্ত সুবিধাসমূহ

  • ফ্রী ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন(১ বছর)
  • ৫০০ মেগাবাইট হোস্টিং ফ্রী(১ বছর)
  • যে কোন জায়গা থেকে ব্যবহার
  • বন্ধুত্বপূর্ণ এডমিন প্যানেল
  • ২৪/৭ কাস্টমার সার্ভিস
  • লাইফ টাইম সাপোর্ট
  • ডেভেলপমেন্ট ফী- ১৫০০০
  • ডেভেলপমেন্ট টাইম-১ মাস

আমাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন।

Leave a Reply