চলুন জানি Internet এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং যারা এখন পর্যন্ত Yahoo তে আইডি খুলতে পারেন না তাদের জন্য গুরুত্ত্বপূর্ণ টিপস।(অভিজ্ঞদের প্রবেশ নিষেধ)

বিসমিল্লাহীর রহমানির রাহীম

Internet

ইন্টারনেটঃ ১৯৬৯ সালে আমেরিকা যুক্তরাষ্টের প্রতিরক্ষা দফতর (DOD), Advance Research Projects Agency Network (ARP Anet) চালু করে। ইন্টারনেট হচ্ছে একধরণের প্যাকেট সুইচিং প্রোগ্রাম। ইন্টারনেট পৃথিবূ জুড়ে বিসতৃত অসংখ্য নেটওয়ার্কের সমবায়ে গঠিত একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক নেটওর্য়াকে সংয়ুক্ত কম্পিউটারের সাথে ভিন্ন নেটওর্য়াকে সংযুক্ত কম্পিউটারের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ইন্টারনেটওয়ারকিং বলা হয়। বিশ্বেও বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটি/েয থাকা অনেকগুলো নেটওর্য়াকের mgwš^Z অবস্থাই ইন্টারনেট।

ই-মেইলঃ E-mail এর অর্থ ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic mail)| ই-মেইল মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন প্রান্তে তথ্য,মেসেজ,ফইল প্রভৃতি খুব দ্রুত পাঠানো এবং রিসিভ করা যায়। ই-মেইলের কাজ হচ্ছে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বা ফ্যাক্স মেশিনে তথ্য পাঠানো। এছাড়াও ই-মেইল পাঠাতে খরচ খুবই  কম পড়ে। আপনার বাসায় কম্পিউটার বা ইন্টারনেট কানেকশন না থাকলেও যে কোন সাইবার ক্যাফে বা অফিস ইন্টারনেট ব্যবহার করে ফ্রি ওয়েব মেইলের মাধ্যমে ই-মেইল আদান-প্রদান করতে পারবেন।

ইন্টারনেট চ্যাটঃ ইন্টারনেট চ্যাট বা আলাপ অনলাইন জগতে এক আকর্ষণীয় অংশ। বিশ্বের যে কোন দেশের লোকের সাথে চ্যাটের মাধ্যমে সরাসরি মনের ভাব আদান প্রদান করা যায়। চ্যাটকে দুইভাবে ভাগ করা যেতে পারে, এর একটি হলো অনলাইন চ্যাট এবং অন্যটি অফলাইন চ্যাট।

অনলাইন চ্যাটঃ ইন্টারনেট কানেকশন থাকা অবস্থায় বা অনলাইনে থাকা অবস্থায় অপরের সাথে যে চ্যাট বা আলাপ করা হয তাকে অনলাইন চ্যাট বলা হয়।

অফলাইন চ্যাটঃ একই নেটওর্য়াকের আওতাভুক্ত ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়া পরস্পরের মধ্যে যে চ্যাটিং করা হয় তাকে অফলাইন চ্যাট বলে।

টেক্সট চ্যাটিংঃ অনলাইনে থাকা অবস্থায় লিখে লিখে পরস্পরের মধ্য যে ভাব  বিনিময় করা হয তাকে টেক্সট চ্যাটিং বলে।

ওয়েবসাইট অ্যাড্রেসঃ এক বা একাধিক ওয়েব পেইজ নিয়ে একটি ওয়েবসাইট গঠিত,ওয়েব সাইটের অ্যাড্রেসের মাধ্যমেই বিশ্বেও বিভিন্ন নেটওর্য়াক র্সাভার থেকেই ওয়েব পেইজগুলো আপনার কম্পিউটারে ইন্টারনেটের সাহায্যে  চলে আসবে। প্রতিটি ওয়েব সাইটের বিশ্বব্যাপী একটি ¯^Zš¿ নাম থাকবে। ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেসকে কেউ কেউ Universal Resource Location (URL)I বলে।

ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য কী কী প্রয়োজনঃ

  1. কম্পিউটার
  2. মডেম
  3. ইন্টারনেট সংযোগ
  4. সফটওয়্যার (ই-মেইলের জন্য আউটলুক এক্সপ্রেস, ইউডোরা, আইমেইল,ব্রাউজিং এর জন্য ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, নেটস্কপ নেভিগেটর, অপেরা, মোজিলা প্রভৃতি, উল্লেখ্য আউটলুক এক্সপ্রেস ও ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর সাথে বিল্টইন থাকে।)

উল্লেখ্য ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য টেলিফোন লাইন ও মডেমের প্রয়োজন নেই। আর যারা সাইবার ক্যাফেতে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন তাদের কোন ঝামেলা নেই কারণ সাইবার ক্যাফেতে প্রয়োজনয়ি সবকিছু সেটআপ করাই থাকে।

ই-মেইল এর ব্যবহারঃ

ই-মেইল ব্যবহারের জন্য বিশেষ কোন সফ্‌টওয়্যার যেমন Eudora ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া অন্য সফ্‌টওয়্যারও ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে র্বতমানে Yahoo! Hotmail ইত্যাদি ব্যবহার করেও সর্ম্পূন ফ্রি ভাবে ই-মেইল অ্যাড্রেস বা অ্যাকাউন্ট খোলা ,মেইল পড়া বা পাঠানোর কাজটি করা বেশ জনপ্রিয়। আমরা Yahoo! ব্যবহারে উপরেরও কাজগুলির উপর আলোচনা করবো। মনে রাখতে হবে একবারই একটি Account  খুলতে হবে। যাদের Account খোলা আছে তাদের জন্য এই অংশ প্রযোজ্য নহে।

 

Yahoo! তে Account খোলাঃ

  1. ইন্টারনেট কানেকশন থাকা অবস্থায় যে কোন ওয়েব ব্রাউজার যেমন Internet Explorer এ ডাবল ক্লিক করি। Internet Explorer চালু হবে।
  2. Address বার এ www.yahoo.com লিখে কীবোর্ড থেকে Enter দেই।
  3. কিছুক্ষনের মধ্যেই Yahoo! এর হোম পেজটি আসবে।
  4. যেহেতু আমরা প্রথমবারের জন্য ব্যবহারকারী সে জন্য আমাদের রেজিষ্টেশন করতে হবে। New Here?: Sign Up বাটনে ক্লিক করি।
  5. একটি ফরম আসবে। ফরমটি পূরণ করি।
  6. Sign up করার জন্য Form টি Fill up করতে হবে। আমরা যে নাম দিয়ে Login হতে চাই ÒYahoo!ID” তে সেই নামটি লিখি। একই নামের ইউজার আগেই থাকতে পারে, তাই নামের সাথে কিছু Letter অথবা Number যোগ করে ভিন্নতা আনি। যেমন shamima _bd
  7. তারপর password এ একটি গোপন number লিখি এবং Re-type password এ একই number লিখি।
  8. Security Question থেকে যে কোন question select করে নিজ থেকে একটি উত্তর লিখি। আমরা যদি কখনও আমাদের password ভুলে যাই তবে এই অপশনটি ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।
  9. সবার নিচে ÒType the code shown” এই ঘরটিতে লাইনটির নিচের Graph এ যে Word টি লেখা রযেছে তা হুবুহু লিখি। Capital Letter হলে Capital Letter অথবা Small Letter হলে Small Letter দিয়ে লিখি। তারপর ÒSubmit this form Securely” box এ Click করি।
  10. প্রথমবার ফর্মটি গ্রহন না হলে Try a new code বাটনে ক্লিক করলে নতুন কোন কিছু আসবে এবং তা টাইপ করি। এভাবে যতবার আমাদের ফরম গ্রহণ না হবে ততবার Fill up করি। মনে করি আমাদের ফরমটি গৃহীত হলো।
  11. তখন আমাদের Yahoo-I New Mail Address হবে ÒYahoo ID@yahoo.com অর্থাৎ shamima_bd@yahoo.com শেষে Continue বাটনে ক্লিক করি। Home Page আসবে।

 

Yahoo! তে Sign Int

  1. যে কোন ব্রাউজার সফ্‌টওয়্যার চালু করে আড্রেস এর ঘরে  লিখি www.yahoo.com এবং এন্টার দেই। Home page আসবে।
  2. Home page আসলে Yahoo!Mail ক্লিক করি।
  3. এবার yahoo! ID এর box এ আপনার ID যেমন “shamima_bd” এবং password এর বক্স এ password টি Type করি এবং “Sign In” button এ ক্লিক করি অথবা এন্টার দেই।
  4. ফলে নিচের page টি Open হবে।এবার ডান দিকে Personal Assistant এর নিচে খেয়াল করি। Welcome, shamima দেখাবে।

 

Yahoo! তে E-mail পাঠানোঃ

Email পাঠানোর জন্য প্রথমে পূর্বের New এর বাম দিকের Email Message টি ক্লিক করি।

ÒTo” box এ যার নিকট Mail পাঠাবো তার E-mail Address লিখি। যদি সবার কাছে পাঠাতে চাই তবে “Cc” box এ কমা দিয়ে সবার E-mail Address লিখি। এতে সবাই mail টি পাবে এবং কে কে  mail টি পেল তাদের Address ও দেখাবে।

যদি আমরা File attach করতে চাই অর্থাৎ আমাদের কম্পিউটারে রক্ষিত কোন ফাইল পাঠাতে চাই তাহলে Subject এর নিচে Attach Files এ ক্লিক করি।

এখন Browse button এ ক্লিক করে যে ফাইল পাঠাবো তার path locate করি। এরপর Attach Files বাটনে এ Click করি।

Attach Files বাটনে ক্লিক করার পর ফাইল গুলো Attach হবে।

কাজ কমপ্লিট হবার পর ওপরে  বামপাশের কোনার send বাটনে Click করি। ফলে নতুন একটি Page  Open হবে।

Page টির উপরে লেখা রয়েছে Message sent এবং কোথায় গিয়েছে তা এর নিচেই লেখা রয়েছে।

যদি Message না গিয়ে থাকে তবে উপরে Message not sent লেখা আসবে। এভাবেই Yahoo! তে E-mail পাঠাতে হয়।

 

Yahoo! তে Check Mail:

www.yahoo.com এ প্রবেশ করে Yahoo ID ও পাসওয়ার্ড দিয়ে Sign in করার পর Check Mail বাটনে ক্লিক করি। অথবা Inbox এ ক্লিক করি।

Inbox এ unread mail থাকলে mail এর subject এ ক্লিক করি।

এখন মেইলটির বিস্থারিত দেখা যাবে।

 

ইন্টারনেট ব্রাউজিংঃ

ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোন নির্দিষ্ট তথ্য খঁজে বের করার জন্য বিভিন্ন ব্রাউজিং প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।এসব প্রোগ্র্‌মকে ব্রাউজার বলা হয়।

 

 

সাধারণ ভাবে ইন্টারনেটে কানেক্ট হয়ে ব্রাউজার প্রোগাম চালু করে এর এ্যাড্রেস বক্সে যে ওয়েবসাইটের ঠিকানা টাইপ করা হবে সে ওয়েবসাইটটি ওপেন হবে। অর্থাৎ সরাসরি ব্রাউজার প্রোগা্রম ব্যবহার করে কোন ওয়েবপেজের ঠিকানা টাইপ করে তাদের সম্পর্কে তথ্য জানা যায়। কিন্তু ওয়েব ঠিকানা জানা নেই এমন কোন বিষয় যা সারা দুনিয়ার বিভিন্ন সার্ভারে রক্ষিত আছে তা বের করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করা যায়। জনপ্রিয় কয়েকটি সার্চ ইঞ্জিন হলো ুইয়াহু, গুগলি আলটাভিসটা । ইন্টারনেটে কনেক্ট হয়ে ব্রাউজার প্রোগাম চালু করে এ্যাড্রেস বারে সার্চ ইঞ্জিনের ঠিকানা লিখে এন্টার দিলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ফাইন্ড বক্সে যা লিখে এন্টার দেয়া হবে সে সম্পর্কিত বিভিন্ন ওয়েবপেজের লিংকের তালিকা প্রদর্শিত হবে। তালিকা থেকে যেটিতে ক্লিক করা হবে সেটির ওয়েবপেজ ওপেন হবে।

 

ব্রাউজ করাঃ  

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার প্রোগ্রাম শুরু করে ব্রাউজিং  করার জন্য নিচের পদক্ষেপ সমূহ নিতে হবে ঃ

  1. ইন্টারনেট কানেক্ট হয়ে ডেস্কটপ অথবা টুলবারের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার আইকনে ক্লিক করতে হবে start>programs> Internet Explorer অথবা নির্দেশ দিতে হবে। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার প্রোগা্রমটি চালু হবে।
  2. স্টার্ট পেজ হিসেবে যে পেজ সেটআপ করা হয়েছে সে ওয়েব পেজটি ওপেন হবে । যেমনঃ http://www.bbc.com নির্ধারণ করা থাকলে বিবিসির নিম্নরূপ পেজটি ওপেন হবে।
  3. অন্য কোন ওয়েব পেজ দেখতে চাই তাহলে Address এর ঘরে সেই ওয়েব পেজের ঠিকানা টাইপ করে এন্টার কী চাপ দিতে হবে । †hgb,https://techtonesbd.com টাইপ করে এন্টার কী চাপলে নিচের মতো সিএনএন-এর ওয়েবপেজ ওপেন হবে।

 

মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম রনি

#আমার সম্পর্কে তেমন কিছু বলার নেই। তবে নিজেকে মহান আল্লাহ-তায়ালার একজন নগণ্য বান্দা হিসেবে পরিচয় দিতেই ভালোবাসি। আমার একটি অন্যতম শখ হচ্ছে, বেশী থেকে বেশী প্রযুক্তিকে জানতে ও জানাতে। এর প্রয়াসেই বিভিন্ন ব্লগে পোষ্ট করে থাকি। একবার আমার ব্লগ সাবাইকে দাওয়াত- www.pchelpcarebd.blogspot.com # দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞান অন্বেষণ করো।----- আলহাদীস। প্রযুক্তির সূরে মেতে উঠুক, বাংলার প্রতিটি মানুষ.......

More Posts - Website

Follow Me:
Facebook

Leave a Reply